Culture | সংস্কৃতি

  • মহামারী অতীত, মা শীতলা কালজয়ী

    যাঁ রা মনে করেন, শীতলা নিতান্তই গ্রামের অশিক্ষিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষের আরাধ্য রকমারি স্থানীয় দেবদেবীর এক জন, তাঁদের জানা নেই, তিনি গোটা ভারতে পূজিত হন। কেবল দক্ষিণ ভারতের কিছু এলাকায় তাঁর পুজো হয় না, কারণ সেখানে সর্বার্থসাধিকা দেবী মারিয়াম্মার রাজত্ব। স্কন্দপুরাণ ও ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণের মতো কয়েকটি প্রাচীন পুরাণে শীতলার কথা আছে, সেখানে তাঁকে গুটিবসন্তের (স্মল পক্স) নিয়ন্তা হিসেবে দেখানো হয়েছে। যজ্ঞের আগুন থেকে তাঁর উদ্ভব, এবং ভগবান ব্রহ্মা কেবল তাঁকে নয়, তাঁর সহচর জ্বরাসুরকেও পুজো করার জন্য মানবজাতিকে উপদেশ দিয়েছিলেন।

    [ Read More ]

  • ভাইফোঁটা

    ভাইবোনের পরস্পর প্রীতি জানানোর জন্য ভ্রাতৃদ্বিতীয়া বা রক্ষাবন্ধনের মতো অনুষ্ঠান ভারতের বাইরে বিশেষ কোথাও নেই। ভ্রাতৃদ্বিতীয়া উত্তর ভারতে ভাই দুজ নামে পরিচিত, বাংলায় ভাই ফোঁটা, মহারাষ্ট্র, গুজরাত ও কোঙ্কণ এলাকায় ভাই বীজ বা ভাউ বীজ। নেপালে ভাই টীকা তো প্রায় দশমী বা দশেরার মতো বড় ব্যাপার। দক্ষিণ নেপালে একে যম দ্বিতীয়াও বলা হয়। বা

    [ Read More ]

  • অসুরকেও বাপের বাড়ি টেনে আনলে মা?

    একটা জিনিস পুজোর সময় আমাদের সকলেরই চোখে পড়ে। মা দুর্গা মহিষাসুরের সঙ্গে ধুন্ধুমার লড়াই করছেন, অথচ তাঁর ছেলেমেয়েরা নিতান্ত উদাসীন ভাবে পাশে দাঁড়িয়ে। সুদর্শন কার্তিক তাঁর অস্ত্র তোলেন না, গণেশের মুখে তো একটা হাসির আভাস, লক্ষ্মী নিজের ঝাঁপিটা আরও শক্ত করে চেপে ধরেন, সরস্বতীও বীণা হাতে দিব্যি দাঁড়িয়ে থাকেন। এই অদ্ভুত দৃশ্যের অর্থ বুঝতে ইতিহাসের দিকে নজর দিতে হবে। প্রথমে বাইরের ইতিহাস, তার পর ঘরের।

    [ Read More ]

  • আশ্বিনের শারদপ্রাতে

    সবচেয়ে তর্কবাগীশ বাঙালিটিও নিশ্চয় মানবেন, মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ এক বিরল অনুষ্ঠান, যা আমাদের সাংস্কৃতিক অতীতের সঙ্গে যোগসূত্র রেখে চলেছে। ১৯৩২-এ যখন মহিষাসুরমর্দিনী শুরু হয়, আকাশবাণীর তখনকার প্রোগ্রাম ডিরেক্টর নৃপেন্দ্রনাথ মজুমদার বোধ করি ভাবতেও পারেননি, এ অনুষ্ঠান এতটা সফল হতে চলেছে। আকাশবাণীতে যাঁদের সিরিয়াস আড্ডা থেকে এই অনুষ্ঠানের ভাবনাটা এসেছিল, তাঁদের মধ্যে ছিলেন পঙ্কজকুমার মল্লিক, বাণীকুমার, ‘গল্পদাদু’ যোগেশ বসু, রাইচাঁদ বড়াল এবং অবশ্যই বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র।

    [ Read More ]

  • গণেশ চতুর্থী

    এ দেশে হিন্দু ক্যালেন্ডারের ভাদ্রপদ মাসে শুক্লা চতুর্থী গণেশ বা বিনায়ক চতুর্থী হিসেবে পালন করা হয়। কলকাতার মানুষ গণেশ চতুর্থীকে তুচ্ছ করলে ভুল করবেন। সর্বভারতীয় পরিসরে এটিই দুর্গাপুজোর একমাত্র যথার্থ প্রতিদ্বন্দ্বী। তা ছাড়া, এই উত্‌সব দুর্গাপুজোর চেয়ে অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। দুর্গাপুজো প্রধানত বাঙালির উত্‌সব, বাংলার বাইরে বা বিদেশেও তা-ই।

    [ Read More ]

  • রাখি

    বোনেরা ভাইদের হাতে রাখি পরিয়ে দেওয়ার জনপ্রিয় উত্‌সবটি দেখে দুটো কথা মনে হয়। এক, আমাদের ধর্ম ও ইতিহাসের কাহিনিতে ভাইয়েরাই তো চিরকাল বোনদের রক্ষা করে এসেছে, রক্ষাবন্ধন নামক অনুষ্ঠানে ব্যাপারটা তবে হঠাৎ উল্টে গেল কেন?

    [ Read More ]

  • জামাই রহস্য

    এই দিনটাতে আমার মা তাঁর চঞ্চল ছেলেমেয়েদের শীতলপাটিতে বসিয়ে শোনাতেন, কী ভাবে মা ষষ্ঠী সমস্ত শিশুদের মঙ্গল করেন, তাদের দীর্ঘ জীবন দেন। তিনি কয়েকটি মন্ত্র পড়ে একটা অদ্ভুত দেখতে দূর্বাঘাসের ছোট্ট চামর দিয়ে আমাদের গায়ে মাথায় পুণ্যবারি ছিটিয়ে আশীর্বাদ করতেন, মুঠো ভরে ফলমূল দিতেন। বিয়ের পরে আমার বনেদি ঘটি শ্বশুরবাড়িতে দেখলাম, ওঁরা আমার মায়ের সন্তান-ষষ্ঠীকে একটা নিতান্ত বাঙাল ব্যাপার বলে মনে করেন, তাঁদের কাছে এটা একেবারেই জামাইয়ের দিন। আমার অবশ্য তাতে কোনও সমস্যা ছিল না, কারণ আমার শাশুড়ি সে দিন আমার পাতে অন্তত পাঁচ-ছ’রকমের মাছ-মাংস এবং সমানসংখ্যক মিষ্টি সাজিয়ে খেতে বসাতেন। কব্জি ডুবিয়ে তার সদ্ব্যবহার করতাম।

    [ Read More ]

  • অক্ষয় তৃতীয়া

    একশো বছরেরও বেশি আগে ব্রিটিশ পর্যবেক্ষকরা লক্ষ করেছিলেন, ‘ভারত জুড়ে বৈশাখের শুক্লপক্ষের তৃতীয় দিনে অক্ষয় তৃতীয়া পালন করা হয়। মানুষের বিশ্বাস, এই দিন স্নান করে ব্রাহ্মণকে পাখা, ছাতা এবং অর্থ দান করলে অক্ষয় পুণ্য অর্জিত হয়। ফলে এই তিথি উদ্যাপন অত্যন্ত জনপ্রিয়।’

    [ Read More ]

  • বৈশাখী নিউ ইয়ার

    ভারতের অসামান্য বৈচিত্রের উৎকৃষ্টতম প্রমাণ হল এত রকমের ক্যালেন্ডার এবং ‘নববর্ষ’। বহু ভাষা এবং সংস্কৃতি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ধীরে ধীরে একে অন্যের সঙ্গে মিলেছে, তাদের উপর কোনও একমাত্রিক তকমা চাপিয়ে দেওয়া যায়নি। কিন্তু আমরা দেখব, এই বহু ‘নববর্ষ’-এর বৈচিত্রের মধ্যে ক্রমশ একটা ঐক্যের ধারণা তৈরি হয়েছে।

    [ Read More ]

  • হোলি

    ভারতবাসী সারা বছর ধরে যত উত্‌সব করে, তার মধ্যে হোলির সঙ্গে শাস্ত্রের সম্পর্ক সবচেয়ে কম আর বেলাগাম হুল্লোড় সবচেয়ে বেশি। ফাল্গুনের পূর্ণিমা তিথিতে এই উত্‌স, সাধারণত আগের রাত্রে হোলিকা দহন দিয়ে এর সূচনা হয়, তার পর সারা দিন অসহায় মানুষজনের উপর আবির এবং রঙের বর্ষণ চলে, শেষ হয় মিষ্টি এবং অন্য নানা খাদ্য ও পানীয়ের উল্লাসে। পণ্ডিত এস এম নটেশ শাস্ত্রীর বক্তব্য: ‘এর সঙ্গে কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের কিছুমাত্র যোগ নেই, তবে নির্বোধ আচরণ আছে প্রভূত পরিমাণে।’

    [ Read More ]

  • মকর সংক্রান্তি

    ভারতে ‘বৈচিত্রের মাঝে ঐক্য’ নিয়ে আমরা অনেক কথা বলে থাকি, কিন্তু কথাটার সত্য অর্থ উপলব্ধি করতে চাইলে আমাদের কিছু নির্দিষ্ট সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দিকে দৃষ্টিপাত করতে হবে। যেমন, এমন নানা উত্‌সব আছে, যেগুলির ঐতিহাসিক উত্‌স বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন রকম, অথচ অনেক জায়গাতেই যেগুলি বছরের কোনও একটি সময়েই উদ্যাপিত হয়ে আসছে।

    [ Read More ]

  • Laxmi Puja: Lighting Up The Darkest Night

    The first mention that one gets is about the celebration of shining lights is when Ramachandra returned victorious to Ayodhya, though Lakshmi does not feature here. The Kamasutra of Vatsyana, whose final product also appears like the Ramayana in the 3rd or 4th century AD mentions Yaksha's night, when houses should be illuminated with numerous tiny earthen lamps. ‘Yaksha’ were usually short pot-bellied indigenous creatures who stood outside temples as dwaar-paals. The Jain acharyas, Hemchandra and Yashodhara, describe this ‘Yaksha night of lights’ and this point to the Brahmanic adoption of a popular local observance.

    [ Read More ]

  • আগেভাগে লক্ষ্মীপুজো করে লাভ কী হল

    এই উৎসবের প্রথম উল্লেখ পাই রামায়ণে, রামচন্দ্র যখন যুদ্ধজয় করে সীতাকে নিয়ে ফিরলেন, তখন অযোধ্যার ঘরে ঘরে দীপালিকায় আলো জ্বলেছিল। সেখানে অবশ্য লক্ষ্মীর কোনও নামগন্ধ নেই। তৃতীয় বা চতুর্থ শতাব্দীতে রামায়ণের মোটামুটি সমসাময়িক বাত্‌স্যায়নের কামসূত্রে যক্ষের রাত্রির কথা আছে, যে রাতে ছোট ছোট প্রদীপ জ্বালিয়ে জনপদ সাজাতে হয়। এটি এক লোকাচার, যা ব্রাহ্মণ্যতন্ত্র ক্রমশ গ্রহণ করে নিয়েছিল। কিন্তু এখানেও লক্ষ্মীর কোনও প্রত্যক্ষ উল্লেখ নেই। অবশ্য যক্ষ থেকে যেমন ঐশ্বর্যের দেবতা কুবের এলেন, লক্ষ্মী যদি তেমনই এসে থাকেন, তা হলে আলাদা কথা। তবে এটা ঠিকই যে, পুরাণের দেবী লক্ষ্মী এক সময় যক্ষদের দীপালোকিত রাত্রির উৎসবটি নিজের করে নেন।

    [ Read More ]

  • 60 Years Of An Iconic Festival: Akashvani Sangeet Sammelan

    B V Keskar was Pandit Nehru’s Information Minister for a decade, from 1952 to 1962. For him, Hindi film songs were a strict ‘no-no’ where Akashvani was concerned, as in his opinion, it should be the mission of the public broadcaster, to encourage only classical music. He had to face a lot of pressure and ridicule for this rather obdurate stand, but there is no doubt that had it not been for him, Indian classical music may have never reached and enthralled the common man,because classical music by its very nature was meant primarily for the elite.

    [ Read More ]

  • Gitanjali, Tagore & London

    On the 16 th June 1912, Rabindranath Tagore reached London aftersailing for three weeks. He had utilized the journey to complete the last lotof his translations and was relieved that he had finally made it. His disappointment for not being permitted to travel in March of that year, on health grounds was thus overcome.

    [ Read More ]

  • চিৎপুরের রাস্তায় হেরিটেজ ওয়াক তো হতেই পারে

    কলকাতার ট্রাম, বিশেষ করে ময়দান ও সংলগ্ন এলাকায়, একটা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে। সহজেই আমরা কয়েকটি রংচঙে ট্রাম শুধুমাত্র স্থানীয় এবং বিদেশী পর্যটকদের জন্য রেখে দিতে পারি। চিৎপুর রোডের কথাই ধরা যাক। রাস্তাটার আনাচে - কানাচে ইতিহাসের গন্ধ। কিন্তু গাড়িঘোড়ার ভিড় ঠেলে যাওয়াটা বিরাট সমস্যা। ধীরগতির ট্রামে বসে চিৎপুর রোড ধরে যাওয়াটা নিঃসন্দেহে একটা দারুণ অভিজ্ঞতা হতে পারে।

    [ Read More ]

  • Relevance of Swami Vivekananda’s Thoughts in the 21st Century

    Swami Vivekananda was one of the greatest patriots, thinkers, philosophers and spiritual leaders, India has ever produced. He lived only for thirty nine and a half years, of which he devoted the last nine and half years totally to the service of humanity. Though he left the world well over a century ago, Swamiji’s teachings remains very relevant to us in the twenty-first 21st Century. This is more so because mankind is struggling more now to adjust to more frequent socioeconomic changes. The very rapid pace at which developments are overtaking us is surely leading to a transitory segment of social confusion, unrest, and apprehension. This produces a very demanding and stressful life style.

    [ Read More ]

  • Rome over the Weekend

    I had no idea that George W Bush had chosen to accompany me to Rome during the weekend — en-route to Albania from his G-8 conference in Germany. This gentleman seems to excite agitationists all over the world, and Italians are, even without much provocation, a rather excitable lot. Thus the city of St. Peter was now in the hands of protestors and the Italian government felt that the situation was so serious that the normal police would be unable to handle it. Hence, one was treated to a very rare spectacle of witnessing the smart, semi-military crack force, the carabinieri on real time prowl all over Rome — in their dark blue macho uniforms and their threatening rifles and pistols. Girls, both turisti and local drooled over those handsome hunks that were straining to impress them with their crackling walky- talkies.

    [ Read More ]

  • বাঙালির হাজার বছর

    শতক-অন্ত তো এ বার সহস্রান্তিকও বটে! এ কথা ভাবলেই নিতান্ত নির্বিরোধী মানুষও ভেতরে ভেতরে চাপা উত্তেজনা অনুভব করবেন। দুটো বিষয় নিশ্চয়ই সকলেরই মনে হবে. এক দিকে পিছন ফিরে চাওয়া-পাওয়ার সালতামামি; অন্য দিকে ভবিষ্যদর্শনের প্রয়াস, কী আছে ভাগ্যে। এ দেখা ব্যক্তিবিশেষ বা তার পরিপার্শ্ব ছাড়িয়ে বিস্তৃত হতে পারে তার অঞ্চল, রাজ্য, রাষ্ট্র এমনকি সমগ্র মানবতা পর্যন্তও। আমার অবশ্য বাঙালি সমাজের বাইরে এই বিহঙ্গ দর্শন প্রসারিত করার মতো জ্ঞানবুদ্ধি বা যোগাযোগ কোনওটাই নেই। সীমাবদ্ধতা আছে সেটুকুর মধ্যেও। তবু এ নিয়ে একটা আড্ডা শুরু করার লোভও সামলাতে পারছি না। অবশ্য দু-চার পাতায় হাজার বছরের কথা আলোচনার ঔদ্ধত্য আমার নেই। কোন দিক থেকে দেখতে চাই, সেটা বোঝাতে আমি শুধু কয়েকটা বিশেষ যুগ বা নির্দিষ্ট প্রসঙ্গের কথাই তুলবো।

    [ Read More ]

  • The Chinese of Calcutta

    Of all the quaint and colourful foreign communities that have contributed their distinctive hue to the kaleidoscopic variety of Calcutta's life during the preceding centuries, the Chinese stand out prominent, bright and with a rare degree of permanence. For, while the Jews and Armenians have almost entirely left the second city of the Empire, and the European nationalities have dwindled to miniscule numbers, the Chinese have swelled their ranks to carve out for themselves a special niche in the hearts and minds of Calcuttans.

    [ Read More ]